রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:২৬
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

জামিন পেলেন মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক মামুন

ডেক্সরিপোর্ট  পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুল করিম হত্যার ঘটনায় ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন জামিন পেয়েছেন।

তার মুক্তির দাবিতে চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন ক্ষোভ-বিক্ষোভ জানিয়ে আসছিল। সারা দেশে মনোরোগ চিকিৎসকরা তাদের চেম্বারে সন্ধ্যায় দুই ঘণ্টা রোগী দেখা বন্ধ রাখছিল।

গ্রেফতারের ৬ দিন পর রোববার ডা. মামুনকে জামিন দেন ঢাকার মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ কমিশনার জাফর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মামুনের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর ডা. মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিল আদালত। এ ঘটনায় চিকিৎসকরা ব্যাপক ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায়।

রিমান্ড শেষে ২০ নভেম্বর ডা. মামুনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছিলেন হত্যা মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ফারুক মোল্লা। তখন আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গত নয় নভেম্বর বেলা ১১টায় রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতালটির কর্মচারীদের মারধরে মারা যান পুলিশের সিনিয়র এএসপি আনিসুল করিম শিপন। পরদিন ১০ নভেম্বর সকালে নিহত এএসপি আনিসুল করিমের বাবা ফয়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডে ডা. মামুনের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো পর্যায়েই ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা ছিল না।